এদিকে নিম্নচাপটি সরে যাওয়ায় ব্যাংককে বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমেছে। তবে মৌসুমি বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে রাজধানীর পূর্বাঞ্চলে বৃষ্টির পরিমাণ বেশি।
রাতভর নং চক এলাকায় ৬২ মিলিমিটার, লাত ক্রাবাংয়ে ৫৫ মিলিমিটার এবং মিন বুরিতে ৫২ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।
ব্যাংককের গভর্নর চাদচার্ট সিত্তিপুন্ট জানিয়েছেন, বড় খালগুলোর পানি দ্রুত কমানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। খালগুলো দিয়ে পানি সরিয়ে সড়ক ও আবাসিক এলাকার জলাবদ্ধতা কমানোর চেষ্টা চলছে।
বন্যায় লাত ক্রাবাং, ব্যাং কপি, খান না ইয়াও, সাই মাই, সুয়ান লুয়াং, সাফান সুং ও লাখ সি এলাকা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এদিকে কয়েকটি সড়কে পানি কমে যাওয়ায় যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে এখনো কিছু এলাকায় পানি জমে রয়েছে।
বন্যার কারণে প্রায় দেড় হাজার শয্যাশায়ী রোগীকে ব্যাংককের বিভিন্ন হাসপাতালে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাওয়া সহায়তার আবেদনগুলোও পর্যবেক্ষণ করছে কর্তৃপক্ষ।
বন্যাকবলিত মানুষের জন্য প্রস্তুত খাবার, বিশুদ্ধ পানি, উঁচু যানবাহন, নৌকা ও ভ্রাম্যমাণ রান্নাঘরসহ বিভিন্ন সহায়তার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।