বিশেষ করে স্পেনের সেউটা সীমান্তের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি দেখিয়েছে, অল্প সময়ের মধ্যে বড়সংখ্যক মানুষের আগমন কীভাবে সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় জরুরি পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে।
কমিশনের প্রস্তাবিত পাঁচটি পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে—
অংশীদার দেশগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা বৃদ্ধি:
অভিবাসনের মূল কারণ মোকাবিলা, আগাম সতর্কতামূলক তথ্য সংগ্রহ এবং তথ্য বিনিময়ে উৎস ও ট্রানজিট দেশগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানো হবে। পাশাপাশি বৈধ অভিবাসনের সুযোগ ও দক্ষতা উন্নয়নের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হবে।
ইইউর বহিঃসীমান্ত শক্তিশালী করা:
ফ্রন্টেক্সের সক্ষমতা ও ভূমিকা বাড়ানোর পাশাপাশি জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সদস্য দেশগুলোকে সহায়তা দেওয়ার ব্যবস্থা জোরদার করা হবে।
নজরদারি ও আগাম সতর্কতাব্যবস্থা উন্নত করা:
নতুন অভিবাসন পথ শনাক্ত, সীমান্ত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং তথ্য আদান-প্রদানের সক্ষমতা বাড়ানো হবে। অনিয়মিত অভিবাসনকে উৎসাহিত করে এমন অনলাইন কার্যক্রমও পর্যবেক্ষণের আওতায় আনার কথা বলা হয়েছে।
মানবপাচার ও অভিবাসন চোরাচালান দমন
অভিবাসন চোরাচালানকারী ও মানবপাচারকারী নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা জোরদার করা হবে। এ ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা এবং ইউরোপীয় পুলিশ সংস্থা ইউরোপোলের সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা কার্যকর করা:
ইইউতে থাকার বৈধ অধিকার নেই—এমন ব্যক্তিদের ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া আরও কার্যকর করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এ জন্য তৃতীয় দেশগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা এবং ফেরত কার্যক্রমে ফ্রন্টেক্সের ভূমিকা বাড়ানো হবে।
ইউরোপীয় কমিশনের অভিবাসনবিষয়ক কমিশনার ম্যাগনাস ব্রুনার বলেছেন, ইউরোপের জন্য শক্তিশালী বহিঃসীমান্ত, কার্যকর অভিবাসন কূটনীতি এবং বিশ্বাসযোগ্য ফেরতব্যবস্থা প্রয়োজন।
কমিশনের এই পাঁচ দফা পরিকল্পনা ১ ও ২ অক্টোবর অনুষ্ঠিত ইইউর বিচার ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে সদস্য দেশগুলোর সামনে উপস্থাপন করা হয়েছে।