আল-আমিন জানান, রাশিয়ায় একসঙ্গে যাওয়া ৩০ জনের মধ্যে শুরুতে তার নিজের গ্রুপে সাতজন ছিলেন। এখন তাদের অনেকের সঙ্গে যোগাযোগ নেই। তাদের মধ্যে দুজন ফ্রন্টলাইনে যাওয়ার পর আর ফিরে আসেননি। তারা মারা গেছেন, নাকি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন, সে বিষয়েও নিশ্চিত নন তিনি।
অন্যদিকে একই দলের গোপালগঞ্জের সৌরভ মোল্লা, মাদারীপুরের কামাল হোসেন, কিশোরগঞ্জের আবু হানিফ ও ফরিদপুরের হেলাল শেখসহ কয়েকজনকে বাংকার তৈরির কাজে অন্যত্র পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন সৌরভের ভাই তাসলিম মোল্লা।
সৌরভের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের বরাত দিয়ে তাসলিম মোল্লা বলেন, ওই ব্যাচের ১৮ জন এরই মধ্যে মারা গেছেন। দুজন হাসপাতালে, দুজন দেশে ফিরেছেন এবং দুজনের কোনো খোঁজ নেই। যুদ্ধক্ষেত্রে থাকা ছয়জন এখনো বেঁচে আছেন।