তল্লাশির সময় তাদের পরা জুতার ভেতরে বিশেষ কৌশলে লুকানো সোনার বারগুলো পাওয়া যায়। পরে দুই কর্মীর কাছ থেকে মোট ৮০টি সোনার বার উদ্ধার করা হয়। প্রতিটি বারের ওজন ছিল প্রায় ১১৭ গ্রাম। সব মিলিয়ে সোনার মোট ওজন দাঁড়ায় ৯ দশমিক ৩৪ কেজি। কাস্টমস কর্তৃপক্ষের হিসাবে এসব সোনার আনুমানিক মূল্য ১৬ কোটি ২৫ লাখ টাকা।
উদ্ধারের পর সোনাগুলো জব্দ করা হয় এবং দুই বিমানকর্মীকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে বিমানবন্দর থানায় মামলা করা হয়েছে। গত রোববার কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত সার্কেলের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা রুহানী ইসলাম বাদী হয়ে মামলাটি করেন।
তদন্তসংশ্লিষ্টরা বলছেন, সোনাগুলো কোথা থেকে আনা হয়েছিল, কার নির্দেশে এগুলো বহন করা হচ্ছিল এবং কোথায় পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল—এসব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে ঘটনায় আরও কেউ জড়িত কি না, সেটিও তদন্ত করা হচ্ছে। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে সোনা চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত সম্ভাব্য চক্র সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করবে তদন্ত সংস্থা।