তবে উন্নত দেশগুলোর তুলনায় এ ব্যবধান এখনো বড়। ২০২৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রে মানুষের গড় আয়ু ছিল ৭৮ দশমিক ৫ বছর। আর কানাডায় এই হার ছিল ৮১ বছর।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদনে অবশ্য শুধু কত বছর বেঁচে থাকা যাচ্ছে, তার পাশাপাশি কত বছর সুস্থভাবে বেঁচে থাকা যাচ্ছে—সেদিকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কারণ আয়ু বাড়লেই যে একজন মানুষ দীর্ঘ সময় সুস্থ ও কর্মক্ষম থাকবেন, তা নয়।
এর একটি উদাহরণ ভারত। ২০২৩ সালে দেশটির সুস্থ গড় আয়ু ছিল ৬০ দশমিক ৬ বছর। ২০১৯ সালে এই হার ছিল ৬০ দশমিক ৫ বছর। তবে ২০২১ সালে তা কমে ৫৮ দশমিক ৪ বছরে নেমে যায়। পরের বছর, অর্থাৎ ২০২২ সালে, আবার বেড়ে দাঁড়ায় ৬০ দশমিক ২ বছরে।
ডব্লিউএইচওর ডেটা বিভাগের প্রধান অ্যালাইন ল্যাবরিক বলেন, মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধি জনস্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে বড় ধরনের অর্জন। তবে এখন মূল চ্যালেঞ্জ হলো—শুধু মানুষের আয়ু বাড়ানো নয়, বরং তাদের দীর্ঘ সময় সুস্থ ও ভালোভাবে বেঁচে থাকার সুযোগ নিশ্চিত করা।
অর্থাৎ দীর্ঘায়ুর পাশাপাশি সুস্থ জীবনযাপনের বছর বাড়ানোই এখন বিশ্ব জনস্বাস্থ্যের অন্যতম বড় লক্ষ্য।