বাংলাদেশের হাইকমিশনার মনজুরুল করিম খান চৌধুরী বলেন, দুই দেশের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সক্ষমতা পরস্পরের পরিপূরক। তাই ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানোর মাধ্যমে নতুন অংশীদারিত্ব তৈরি করা সম্ভব।
অনুষ্ঠানে মালয়েশিয়ার শিল্প ও বাণিজ্য খাতের প্রতিনিধিরাও দুই দেশের বেসরকারি খাতের মধ্যে যোগাযোগ, পারস্পরিক বিনিয়োগ এবং ব্যবসায়িক অংশীদারিত্ব বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন।
এ সময় হালাল শিল্প, খাদ্য ও পানীয়, পর্যটন, উৎপাদন ও রপ্তানিসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি বাংলাদেশের অর্থনীতি, বিনিয়োগের সুযোগ ও ব্যবসায়িক পরিবেশ নিয়ে DCCI-এর পক্ষ থেকে একটি অডিও-ভিজ্যুয়াল উপস্থাপনা দেখানো হয়।
এদিকে তিন দিনের সফরে থাকা DCCI প্রতিনিধিদল মালয়েশিয়ার পর্যটন ও সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে। এ সময় মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিদের জন্য হেলথ ট্যুরিজম সহজ করা এবং বাংলাদেশের পর্যটন খাতে মালয়েশিয়ার বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানানো হয়।