এর মধ্যে বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারায় ৩৭ হাজার ৩১৩ জনকে অবৈধ অভিবাসী হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তবে এবার শুধু অবৈধ অভিবাসীদের ধরেই অভিযান সীমাবদ্ধ রাখছে না মালয়েশিয়া সরকার।
অবৈধ অভিবাসীদের যারা কাজ দিচ্ছেন, আশ্রয় দিচ্ছেন কিংবা তাদের উপস্থিতি থেকে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন—তাদের বিরুদ্ধেও নেওয়া হচ্ছে আইনি ব্যবস্থা।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য, কম খরচে শ্রমিক পাওয়ার আশায় অবৈধ শ্রমিক নিয়োগের প্রবণতাই দেশটিতে অবৈধ অভিবাসনের সমস্যা দীর্ঘায়িত করছে।
এ কারণে অবৈধ অভিবাসীদের পাশাপাশি তাদের নিয়োগকর্তা ও আশ্রয়দাতাদেরও আইনের আওতায় আনার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।
সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে অবৈধ অভিবাসীদের কাজ দেওয়া বা আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ১ হাজার ৮০৯ জন নিয়োগকর্তাকে।
তাদের মধ্যে ১ হাজার ৬৯২ জনই মালয়েশিয়ার নাগরিক।
এর আগে ২০২৩ সালে একই ধরনের অপরাধে ৩৪৬ জন, ২০২৪ সালে ১ হাজার ৮৫৯ জন এবং ২০২৫ সালে ২ হাজার ২০২ জন নিয়োগকর্তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
অর্থাৎ, অবৈধ অভিবাসীদের পাশাপাশি তাদের নিয়োগ ও আশ্রয়দাতাদের বিরুদ্ধেও নজরদারি ও অভিযান বাড়াচ্ছে মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষ।
ফলে দেশটিতে বৈধ কাগজপত্র ছাড়া অবস্থানরত বিদেশি নাগরিক এবং তাদের নিয়োগকর্তাদের মধ্যে বাড়ছে উদ্বেগ।
মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত প্রবাসীদের জন্য তাই বৈধ কাগজপত্র সঙ্গে রাখা এবং দেশটির অভিবাসন আইন মেনে চলার বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।