স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য বাবুল মিয়া জানান, বিদেশ যাওয়ার জন্য হিরনকে অনেক ঋণ করতে হয়েছিল। এর আগে তার ছোট মেয়ে নিহা মনিও মারা যায়। একের পর এক শোক ও দুর্ঘটনায় পরিবারটি এখন বিপর্যস্ত।
চার ভাইয়ের মধ্যে হিরন ছিলেন সবার ছোট। মালয়েশিয়া যাওয়ার আগে তিনি দেশে গাছ কাটার কাজ করতেন। তার এক ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে। ছেলে ইকরাম হোসেন আমির দশম শ্রেণিতে পড়ছে। দুই মেয়ে হিমু আক্তার ষষ্ঠ এবং রিমু আক্তার তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী।
হিরনের মৃত্যুর খবর বাড়িতে পৌঁছানোর পর স্বজনদের মধ্যে শোকের মাতম শুরু হয়। স্বামীকে হারিয়ে স্ত্রী হ্যাপি আক্তারের কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ। ৭৫ বছর বয়সী মা জাহানারা বেগম ছেলের মৃত্যুর খবর শুনে বারবার মাটিতে লুটিয়ে পড়ছেন।
স্বজনদের আহাজারিতে পুরো এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।