তবে দক্ষিণ আফ্রিকার সরকার শ্বেতাঙ্গদের ওপর নিপীড়নের অভিযোগ বারবার প্রত্যাখ্যান করেছে। দেশটির সরকার বলছে, শ্বেতাঙ্গদের বিরুদ্ধে ‘গণহত্যা’র দাবি ব্যাপকভাবে ভিত্তিহীন ও নির্ভরযোগ্য প্রমাণহীন।
দক্ষিণ আফ্রিকায় ভূমি মালিকানার বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরেই স্পর্শকাতর। দেশটির নতুন ভূমি আইনে জনস্বার্থে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে ক্ষতিপূরণ ছাড়াই সম্পত্তি অধিগ্রহণের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে সরকার বলছে, আইনটি নির্বিচারে জমি কেড়ে নেওয়ার অনুমতি দেয় না এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে সম্পত্তির মালিকের সঙ্গে আগে সমঝোতার চেষ্টা করতে হবে।
দক্ষিণ আফ্রিকার সরকার জানিয়েছে, বর্ণবৈষম্যের দীর্ঘ ইতিহাস থেকে তৈরি ভূমি বৈষম্য মোকাবিলায় ভূমি সংস্কার প্রয়োজন। দেশটির জনসংখ্যার ৭ শতাংশের কিছু বেশি শ্বেতাঙ্গ হলেও অধিকাংশ বেসরকারি কৃষিজমির মালিকানা তাদের হাতে রয়েছে।
এদিকে দক্ষিণ আফ্রিকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী রোনাল্ড লামোলা ভিসা নিষেধাজ্ঞার ঘোষণায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, দক্ষিণ আফ্রিকার অভ্যন্তরীণ নীতিকে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে।
দুই দেশের সম্পর্ক গত বছর থেকে আরও উত্তপ্ত হয়েছে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ আফ্রিকায় সহায়তা কমিয়েছে, দেশটির রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কার করেছে এবং আফ্রিকানারদের জন্য শরণার্থী সুবিধার ঘোষণা দিয়েছে। আগস্টে দক্ষিণ আফ্রিকার পণ্যের ওপর ৩০ শতাংশ শুল্কও আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র।