এ সম্পর্কিত আরও খবর
মার্কিন পাসপোর্টে বসানো হচ্ছে ট্রাম্পের ছবি
- নিউজ এক্সপ্রেস ডেস্ক
- প্রকাশ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০১:০৮ পিএম
-
ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে। চলতি গ্রীষ্ম থেকেই বাজারে আসছে সীমিত সংস্করণের বিশেষ পাসপোর্ট, যার ভেতরের প্রচ্ছদে বড় আকারে যুক্ত করা হয়েছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ছবি। বিষয়টি নিয়ে দেশজুড়ে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। খবরটি প্রকাশ করেছে দ্য গার্ডিয়ান।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট এক বিবৃতিতে জানান, নতুন এই পাসপোর্টে কাস্টমাইজড আর্টওয়ার্ক ও উন্নত ইমেজিং প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।
নকশা অনুযায়ী, পাসপোর্টের ভেতরের কভারে থাকবে ট্রাম্পের একটি বড় ছবি। তার চারপাশে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের অংশ, জাতীয় পতাকার নকশা এবং সোনালি রঙে প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষর যুক্ত করা হবে।
এটি মূলত ট্রাম্প প্রশাসনের ‘আমেরিকা২৫০’ কর্মসূচির অংশ। এই কর্মসূচির আওতায় আরও বেশ কিছু আয়োজন পরিকল্পনা করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ন্যাশনাল মলে গ্র্যান্ড প্রিক্স রেস এবং হোয়াইট হাউসের লনে ইউএফসি লড়াই।
তবে এই উদ্যোগের সমালোচনাও শুরু হয়েছে। সমালোচকদের মতে, রাষ্ট্রীয় নথিতে একজন জীবিত রাজনৈতিক নেতার ছবি ব্যবহার ব্যক্তিপূজার একটি উদাহরণ।
এর আগেও বিভিন্ন সরকারি ভবন ও নথিতে ট্রাম্পের ছবি ব্যবহারের ঘটনা সামনে এসেছে। যেমন ওয়াশিংটনের বিচার বিভাগ ভবনসহ কয়েকটি দপ্তরে তার ছবি টানানো হয়েছে। কৃষি বিভাগে আব্রাহাম লিংকনের ছবির পাশে ট্রাম্পের ছবি রাখা হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়া ২০২৬ সালের ন্যাশনাল পার্ক পাসে জর্জ ওয়াশিংটনের সঙ্গে ট্রাম্পের ছবি যুক্ত করা হয়। পরে কিছু দর্শনার্থী প্রতিবাদ হিসেবে স্টিকার দিয়ে ট্রাম্পের মুখ ঢেকে দিলে পার্ক সার্ভিস পাস বিকৃত করার বিরুদ্ধে সতর্কতা জারি করে।
এমনকি নতুন মুদ্রার নকশায় ট্রাম্পের ছবি যুক্ত করার প্রস্তাবও আলোচনায় এসেছে।
সবচেয়ে বেশি আলোচনার জন্ম দিয়েছে ওয়াশিংটনে ২৫০ ফুট উঁচু একটি স্বর্ণালী বিজয় তোরণ নির্মাণের প্রাথমিক অনুমোদন, যাকে অনানুষ্ঠানিকভাবে ‘আর্ক দ্য ট্রাম্প’ বলা হচ্ছে। প্রস্তাবিত এই স্থাপনা ক্যাপিটল ও লিংকন মেমোরিয়ালের চেয়েও উঁচু হবে। জনমত নেতিবাচক হলেও ট্রাম্পের সমর্থকদের নিয়ে গঠিত একটি প্যানেল প্রকল্পটি এগিয়ে নেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, এসব উদ্যোগ ঐতিহাসিক মুহূর্তকে স্মরণীয় করে রাখার একটি অংশ। তবে সমালোচকদের দাবি, এটি যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর ব্যক্তিকেন্দ্রিক প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা।
সম্পাদক ও প্রকাশক: Muhammad Awal
Next Waves Ltd.
স্বত্ব © নিউস এক্সপ্রেস মিডিয়া লিমিটেড
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
মন্তব্য করুন