এ সম্পর্কিত আরও খবর
নির্বাচন লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরিতে প্রশাসন ব্যর্থ : রেজাউল করিম
- নিউজ এক্সপ্রেস ডেস্ক
- প্রকাশ : ১৭ জানুয়ারি ২০২৬, ০৫:২১ এএম
-
ছবি: নিউজ এক্সপ্রেস
লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি: জামায়াতের ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ও লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের এমপি প্রার্থী মো. রেজাউল করিম বলেছেন, তফসিল ঘোষণার সাথে সাথে এমপি প্রার্থী জুলাই যোদ্ধা ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদীকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। সারাদেশের এসব ঘটনা এবং লক্ষ্মীপুরের ঘটনাগুলো খুবই স্পষ্ট, নির্বাচনের লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরিতে প্রশাসন ব্যর্থ হয়েছে। যারা এগুলো করছেন, তারা কি নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠুভাবে হোক এটা চান কিনা?
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) দুপুরে লক্ষ্মীপুর প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) বিকেলে সদর উপজেলার চরশাহী ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডে বটগাছতল এলাকায় জামায়াতের নেতাকর্মীদের ওপর বিএনপির হামলার প্রতিবাদে এ আয়োজন করা হয়।
তিনি আরও বলেন, একটি দলের পক্ষ থেকে জামায়াতের প্রচারণায় বাঁধা দিচ্ছে। দুই একটি জায়গায় পুলিশ প্রশাসন গিয়ে খোঁজ খবর নিলেও যথাযথ ব্যবস্থা নেয়নি। আমরা নির্বাচন কমিশনে অনেকগুলো অভিযোগ দিয়ে রেখেছি। আরপিওতে হুমকি ধমকি দেওয়া নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন। চরশাহীতে হামলার ঘটনা ন্যাক্কারজনক ছিল। মহিলাকর্মীদের দলীয় সভা ছিল। সেখানে তারা এসে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেছিল। পুরুষকর্মীরা বিষয়টি সমাধান করে। তারা নামাজ পড়ে মসজিদ থেকে বের হলে তাদের ওপর হামলা করা হয়। যে ব্যক্তি হামালা করেছে, সে ব্যক্তিই আবার হাসপাতালে শুয়ে আছে। এ জাতীয় ঘটনা একটি অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনে বাঁধা।
রেজাউল বলেন, প্রশাসনকে কখনো কখনো একপেশী নীতি অবলম্বন করতে দেখি। একপক্ষ মামলা দিতে গেলে 'আরেক পক্ষ মামলা দিবে, নিজেরা সমঝোতা করুন'- এ ধরনের কথা বলে। এ ধরনের কথা বলা উচিত নয়। বৃহস্পতিবারের ঘটনায় আমরা আক্রান্ত, আমরা রক্তাক্ত আমাদের যুব বিভাগের সভাপতি মাহবুব, তাকে জবাই করতে বলা হয়েছে। তারা আমাদের নারী কর্মীদের টার্গেট করছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে অরাজনৈতিক ও নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি প্রত্যাশা করি। আমরা রাতেই এজাহার দায়ের করেছি, প্রশাসন এখনো মামলা গ্রহণ করেনি। তাহলে কি প্রশাসন নিরপেক্ষতা হারাতে বসেছে? যাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে, অবশ্যই তাদের গ্রেপ্তার করতে হবে।
এসময় লিখিত বক্তব্য দেন জামায়াতের লক্ষ্মীপুর জেলা সেক্রেটারী এআর হাফিজ উল্লাহ। এতে উপস্থিত ছিলেন জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মমিন উল্লাহ পাটওয়ারী, লক্ষ্মীপুর শহর জামায়াতের আমীর আবুল ফারাহ নিশান, চন্দ্রগঞ্জ থানা জামায়াতের সেক্রেটারী রেজাউল ইসলাম খান সুমন৷
চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদ আলম বলেন, হেজবুল্লা নামে জামায়াতের একজন বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ দিয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত চলছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন।
প্রসঙ্গত, চরশাহী ইউনিয়নে বিএনপি ও জামায়াতের মারামারির ঘটনায় উভয়দলের ১০ জন আহত হয়েছে। এনিয়ে সদর হাসপাতালে ভর্তি আহতদের দেখতে আসা বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীদের উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এনিয়ে হাসপাতালসহ শহরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর অবস্থানে ছিলেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক: Muhammad Awal
Next Waves Ltd.
স্বত্ব © নিউস এক্সপ্রেস মিডিয়া লিমিটেড
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
মন্তব্য করুন